পাম অয়েলের দরপতন অব্যাহত

মালয়েশিয়ার বাজারে গতকাল টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দাম কমেছে পাম অয়েলের।

মালয়েশিয়ার বাজারে গতকাল টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দাম কমেছে পাম অয়েলের। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিকল্প পণ্য সয়াবিন তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে নিম্নমুখী হয়ে ওঠায় বাজারে পাম অয়েলের চাহিদা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সামনের দিনগুলোয় উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ারও জোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মালয়েশিয়ায় গতকাল পাম অয়েলের দাম কমেছে টনে ৫০ রিঙ্গিত। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে গতকাল আগস্টে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি টন পাম অয়েল কেনাবেচা হয়েছে ৩ হাজার ৮৪৪ রিঙ্গিতে (সর্বশেষ বিনিময় হার অনুযায়ী ৯০৩ ডলার ৪৩ সেন্টের সমপরিমাণ)। আগের দিনের তুলনায় দরপতনের হার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ।

কুয়ালালামপুরভিত্তিক ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান আইসবার্গ এক্স এসডিএন বারহাদসংশ্লিষ্ট ট্রেডার ডেভিড এনজির মতে, ভোজ্যতেলের বাজারে এখন বড় ধরনের প্রভাবক হয়ে উঠেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজারদরে পতন। জ্বালানি পণ্যটির দরপতন এখন অন্য অনেক পণ্যের মতো সয়াবিন তেলের বাজারমূল্যেও নিম্নমুখী চাপ তৈরি করছে, যার প্রভাব পাম অয়েলের বাজারেও পড়ছে। এছাড়া আগামী কয়েক সপ্তাহে পাম অয়েলের উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধি নিয়েও ট্রেডারদের মধ্যে এক ধরনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চীনের ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে গতকাল সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া সরবরাহ চুক্তির আওতায় সয়াবিন তেলের দাম কমেছে দশমিক ৪৪ শতাংশ। একই সময় পাম অয়েলের দাম কমেছে দশমিক ৫৭ শতাংশ। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) সয়াবিন তেলের দাম কমেছে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

আরও